শুধু অংশগ্রহণ নয়, জাতীয় আরচারিতে পুলিশ আরচারি ক্লাব লড়তো পদকের জন্য। আবুল কাশেম মামুন-শ্যামলী রায়ের মতো তারকারা তীরধনুক হাতে নিয়ে পুলিশ ক্লাবের জন্য সাফল্য এনে দিয়েছেন। অথচ আগামীকাল থেকে টঙ্গীতে শুরু হতে যাওয়া ১৬তম জাতীয় আরচারি চ্যাম্পিয়নশিপে নেই পুলিশ ক্লাব। মূলত দেশের পরিবর্তিত পরিস্থিতির পর পুলিশ আরচারি ক্লাবটি এলোমেলো হয়ে যায়। এবারের প্রতিযোগিতায় পুলিশ না […]

শুধু অংশগ্রহণ নয়, জাতীয় আরচারিতে পুলিশ আরচারি ক্লাব লড়তো পদকের জন্য। আবুল কাশেম মামুন-শ্যামলী রায়ের মতো তারকারা তীরধনুক হাতে নিয়ে পুলিশ ক্লাবের জন্য সাফল্য এনে দিয়েছেন। অথচ আগামীকাল থেকে টঙ্গীতে শুরু হতে যাওয়া ১৬তম জাতীয় আরচারি চ্যাম্পিয়নশিপে নেই পুলিশ ক্লাব। মূলত দেশের পরিবর্তিত পরিস্থিতির পর পুলিশ আরচারি ক্লাবটি এলোমেলো হয়ে যায়। এবারের প্রতিযোগিতায় পুলিশ না থাকলেও এক সময় তাদের হয়ে খেলা মামুন, শ্যামলীরা ঠিকানা বদল করে এখন বাংলাদেশ আনসারে যোগ দিয়েছেন। পুলিশ না খেললেও জাতীয় আরচারিতে রেকর্ড ৭১টি ক্লাব ও সার্ভিসেস দল অংশ নিচ্ছে। ঘরোয়া আরচারির ইতিহাসে এই প্রথম থাকছে প্রাইজমানি।
চার দিনব্যাপী প্রতিযোগিতায় চার শতাধিক আরচার পদকের জন্য লড়বেন। রিকার্ভ ও কম্পাউন্ডের ১০টি ইভেন্টের ৩০টি করে স্বর্ণ, রুপা ও ব্রোঞ্জের খেলাগুলো অনুষ্ঠিত হবে। দুশজন আরচারের আবাসন ব্যবস্থা রয়েছে। সার্ভিসেস দলের আরচাররা সংস্থা থেকে আসা-যাওয়া করে খেলবেন। সোমবার বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক তানভীর আহমেদ। তাঁর পাশেই বসা আরচারি ফেডারেশনের সভাপতি ড. মোখলেস উর রহমান প্রাইজমানির কথাটি বলেন, ‘এবার আমরা প্রাইজমানির ধারা চালু করেছি। তবে একক ইভেন্টে। স্বর্ণজয়ী ৫০ হাজার, রুপাজয়ী ২৫ এবং ব্রোঞ্জজয়ী ১০ হাজার টাকা প্রাইজমানি পাবে।’
প্রাইজমানি ঘোষণার দিনে আলোচনায় ছিল পুলিশ আরচারি ক্লাবের অংশ না নেওয়াটা। এই প্রসঙ্গে সাধারণ সম্পাদক তানভীর আহমেদ বলেন, ‘পুলিশ আরচারি ক্লাবকে তিনবার চিঠি দিয়েছি। যদি কোচ লাগে সেটিও আমরা দেব। হয়তো জাতীয় নির্বাচনের পর তারা আবার আরচারিতে ফিরবে।’
এবার বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে খেলছে বিকেএসপি আরচারি ক্লাব। একই সংস্থার দুটি ক্লাব কেন খেলছে সেই প্রশ্নের উত্তরে তানভীর বলেন, ‘আরচারির পেছনে তারা অনেক অর্থ ব্যয় করে। তাদের কথা হলো–আমরা প্লেয়ার তৈরি করি আর এই সব প্লেয়ারদের অন্য ক্লাবগুলো নিয়ে গিয়ে বছরে একবার খেলে কাউন্সিলরশিপ পায়। তাদের ছয়টি বিকেএসপি আছে, সবগুলোকেই তারা জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপে খেলাতে চায়। সেই জন্য বিকেএসপির দুটি দল এবারের প্রতিযোগিতায় খেলছে। আপনি দেখেন বাংলাদেশ আর্মি, বাংলাদেশ বিমানবাহিনীরও দুটি টিম আছে।’











