ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ভুমিধস বিজয় অর্জন করায় দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান-কে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক এসোসিয়েশন (বিআরজেএ)-এর চেয়ারম্যান সাখাওয়াৎ হোসেন ইবনে মঈন চৌধুরী ও মহাসচিব শেখ মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম। একই সঙ্গে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী-এর আমির ডাঃ শফিকুর রহমান এবং এনসিপির মুখ্যপাত্র সজিব ভুঁইয়া-কেও শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন […]

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ভুমিধস বিজয় অর্জন করায় দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান-কে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক এসোসিয়েশন (বিআরজেএ)-এর চেয়ারম্যান সাখাওয়াৎ হোসেন ইবনে মঈন চৌধুরী ও মহাসচিব শেখ মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম। একই সঙ্গে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী-এর আমির ডাঃ শফিকুর রহমান এবং এনসিপির মুখ্যপাত্র সজিব ভুঁইয়া-কেও শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
১৪ ফেব্রুয়ারি সংগঠনের চেয়ারম্যান ও মহাসচিব এক যৌথ বিবৃতিতে এ অভিনন্দন বার্তা প্রদান করেন। বিবৃতিতে নেতৃদ্বয় বলেন, বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণের ঐতিহাসিক প্রক্রিয়ায় জনগণের সুস্পষ্ট রায় দেশের সাংবিধানিক ও গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতা, সুশাসন প্রতিষ্ঠা, আইনের শাসন নিশ্চিতকরণ এবং গণমাধ্যমের স্বাধীনতা সুদৃঢ় করতে গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হয়ে থাকবে।
তারা আশা প্রকাশ করেন, নতুন সরকার সকল রাজনৈতিক দল, পেশাজীবী সংগঠন ও নাগরিক সমাজকে সঙ্গে নিয়ে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ও অংশগ্রহণমূলক শাসনব্যবস্থা গড়ে তুলবে। একই সঙ্গে সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তা, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং তথ্যপ্রাপ্তির অধিকার নিশ্চিত করতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করবে। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, দেশের উন্নয়ন, ন্যায়ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠা ও মানবাধিকার সুরক্ষায় সকল মহলের ঐক্যবদ্ধ প্রয়াসই পারে একটি সমৃদ্ধ, স্থিতিশীল ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী-এর আমির ডাঃ শফিকুর রহমান গতরাতে এক প্রতিক্রিয়ায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফলাফলকে “গণতন্ত্রের বিজয়” হিসেবে উল্লেখ করে দেশবাসীকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। তিনি বলেন, জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ও শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রাকে আরও শক্তিশালী করেছে।
অন্যদিকে, বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক এসোসিয়েশন (বিআরজেএ) নেতৃবৃন্দ এক বিবৃতিতে বলেন, বাংলাদেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামে গত ১৭ বছরে সারাদেশে ৬৯ জন সাংবাদিক পেশাগত দায়িত্বপালনকালে হামলার শিকার হয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, শহীদ সাংবাদিকদের পরিবারের সদস্যদের আর্থিক সহায়তা, পুনর্বাসন, সন্তানের শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে সরকারকে দ্রুত সময়ের মধ্যে কার্যকর ও দৃশ্যমান পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। নেতৃবৃন্দ জোর দিয়ে বলেন, গণতন্ত্র, মানবাধিকার ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতা রক্ষায় সাংবাদিক সমাজের অবদান অনস্বীকার্য। তাই তাদের নিরাপত্তা ও মর্যাদা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের নৈতিক ও সাংবিধানিক দায়িত্ব।
তারা আশা প্রকাশ করেন, নতুন সরকার ফ্যাসিস্ট বিরোধী সকল রাজনৈতিক দল, পেশাজীবী সংগঠন ও নাগরিক সমাজকে সঙ্গে নিয়ে একটি অন্তর্ভূক্তিমূলক ও অংশগ্রহণমূলক দেশ গড়ে তুলবে। একইসঙ্গে সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তা ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং তথ্য প্রাপ্তির অধিকার নিশ্চিত করতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন।










