দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া দেশ ও জাতিকে সংকটময় পরিস্থিতি থেকে মুক্ত করতে আজীবন আপোষহীন নেতৃত্বের পরিচয় দিয়েছেন। অন্যায়, অনৈতিকতা ও ক্ষমতার দাম্ভিকতার কাছে মাথা নত না করে তিনি জুলুম-নিপীড়নের বিরুদ্ধে ছিলেন দৃঢ় প্রতিবাদী। গত ভোররাতে রাজধানীর এভারগ্রীন হাসপাতালে আল্লাহর ডাকে সাড়া দিয়ে তিনি ইন্তেকাল করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের […]

দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া দেশ ও জাতিকে সংকটময় পরিস্থিতি থেকে মুক্ত করতে আজীবন আপোষহীন নেতৃত্বের পরিচয় দিয়েছেন। অন্যায়, অনৈতিকতা ও ক্ষমতার দাম্ভিকতার কাছে মাথা নত না করে তিনি জুলুম-নিপীড়নের বিরুদ্ধে ছিলেন দৃঢ় প্রতিবাদী।
গত ভোররাতে রাজধানীর এভারগ্রীন হাসপাতালে আল্লাহর ডাকে সাড়া দিয়ে তিনি ইন্তেকাল করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সহধর্মিণী হিসেবে তিনি জ্ঞান থাকা পর্যন্ত মুসলিমসহ সকল জাতি ও শ্রেণির কল্যাণে ঐক্য ও ন্যায়ভিত্তিক রাজনীতিতে অবিচল ছিলেন। দেশ ও জাতির অকল্যাণে যারা কাজ করেছে, তাদের সঙ্গে তিনি কখনো আপোষ করেননি।
মানবাধিকার, মৌলিক অধিকার ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় তার অবস্থান ছিল সুস্পষ্ট ও দৃঢ়। সমাজে জুলুম-নিপীড়নের চিত্র তিনি আয়নার মতো তুলে ধরতেন এবং দায়িত্বশীল সাংবাদিকতাকে তিনি সত্য প্রকাশের অন্যতম মাধ্যম হিসেবে বিবেচনা করতেন। সমালোচনার বিষয়ে তার দৃষ্টিভঙ্গি ছিল ইতিবাচক ভুল পথে চললে সমালোচকই সঠিক পথ দেখায় বলে তিনি বিশ্বাস করতেন।
বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক অ্যাসোসিয়েশন (বিআরজেএ)-এর চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাখাওয়াৎ হোসেন ইবনে মঈন চৌধুরী এবং মহাসচিব শেখ মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম এক যৌথ শোকবার্তায় মরহুমার রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবার ও তার প্রকৃত অনুসারীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
বিআরজেএ নেতৃবৃন্দ সরকারের কাছে কমপক্ষে তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা এবং ধর্ম মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে ফজর ও আসর নামাজ শেষে দেশব্যাপী দোয়া মাহফিলের নির্দেশনা দেওয়ার আহ্বান জানান।
পরিশেষে তারা মহান আল্লাহর দরবারে দোয়া করেন মরহুমার সকল ভুলত্রুটি ক্ষমা করে তাকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করুন এবং তাকে জান্নাতের মেহমান হিসেবে কবুল করুন।











