সম্পূর্ণ নিউজ Banglardarpan24.com

মতামত
১১:২৭ অপরাহ্ণ, ৭ জানুয়ারি ২০২৬

সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে ইইউ প্রতিনিধিদের কাছে শঙ্কা প্রকাশ জামায়াতের

আসন্ন নির্বাচন অবাধ সুষ্ঠু হবে কি না তা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছে জামায়াতে ইসলামী। বিএনপির প্রতি ইঙ্গিত করে দলটি বলেছেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও প্রশাসন একটি বিশেষ দলের প্রতি আনুগত্য দেখাচ্ছে। বুধবার রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় দলীয় আমির ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) এক্সটারনাল অ্যাকশ সার্ভিসের প্রতিনিধি দলের বৈঠকে এসব বক্তব্য তুলে ধরেছে জামায়াত। […]

EU
রাজনীতি ডেস্ক
২ মিনিটে পড়ুন |

আসন্ন নির্বাচন অবাধ সুষ্ঠু হবে কি না তা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছে জামায়াতে ইসলামী। বিএনপির প্রতি ইঙ্গিত করে দলটি বলেছেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও প্রশাসন একটি বিশেষ দলের প্রতি আনুগত্য দেখাচ্ছে।

বুধবার রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় দলীয় আমির ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) এক্সটারনাল অ্যাকশ সার্ভিসের প্রতিনিধি দলের বৈঠকে এসব বক্তব্য তুলে ধরেছে জামায়াত।

ইউরোপীয় এক্সটার্নাল অ্যাকশন সার্ভিসের এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় বিভাগের পরিচালক পাওলা পাম্পালোনির নেতৃত্বে প্রতিনিধি দলে ছিলেন ঢাকায় নিযুক্ত ইইউ রাষ্ট্রদূত মি. মাইকেল মিলার এবং ইউরোপীয় এক্সটারনাল অ্যাকশন সার্ভিস দক্ষিণ এশীয় উপপ্রধান মনিকা বাইলাইতে।

বৈঠকের পর জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের সাংবাদিকদের বলেন, নির্বাচনে পর্যবেক্ষক পাঠানো ও রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে ইইউ প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। তাদের বলেছি, ‘বাংলাদেশে যে সংকট তৈরি হয়েছে তা থেকে উত্তোরণে বাংলাদেশে স্বচ্ছ এবং বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন জরুরি। যদি তা না হয়, তাহলে সংকট সমাধান হবে না। বরং নতুন সংকট তৈরি হবে এবং চলমান সংকট গভীরতর হবে।’ এ আশঙ্কার কথা ইইউ প্রতিনিধিদের স্পষ্টভাবে বলেছি।

বিএনপির প্রতি ইঙ্গিত করে ডা. তাহের বলেন, গত এক দুই সপ্তাহে সরকার ও আইন-শৃঙ্খলারক্ষাকারী বাহিনী যেভাবে একটি বিশেষ দলের প্রতি ঝুঁকে পড়েছে এবং প্রশাসন যেভাবে আনুগত্য দেখাচ্ছে এতে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে, অতীতের মতো পাতানো নির্বাচন হবে কি না। জামায়াত মনে করে, পাতানো নির্বাচন বাংলাদেশকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাবে।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নিরাপত্তায় সরকারের বন্দোবস্তের প্রতি ইঙ্গিত করে আবদুল্লাহ তাহের বলেছেন, একজন ব্যক্তি এসেছেন, তাঁর নিরাপত্তা অবশ্যই দরকার। কিন্তু যেভাবে তা দেখানো হচ্ছে, তা মানুষকে বার্তা দিচ্ছে। যা নির্বাচনী ভারসাম্য নষ্ট করেছে। নির্বাচনে লেভেল প্লেইং ফিল্ড নিশ্চিতে, সরকার যদি কারো নিরাপত্তায় দুইজন পুলিশ দেয়, তাহলে প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বীকেও দুইজন দিতে হবে। যা হচ্ছে না।

ইইউ প্রতিনিধিরা কী বলেছেন- প্রশ্নে ডা. তাহের বলেছেন, তারা পর্যবেক্ষক পাঠাবেন। এ সিদ্ধান্তে জামায়াত স্বাগত জানিয়েছে। তাদেরকে বলেছি, ‘যদি জামায়াত ক্ষমতায় যায়, তাহলে সম্মিলিতভাবে সরকার পরিচালনার পরিকল্পনা করবে। দেশি-বিদেশি অংশীজনদের নিয়ে রোহিঙ্গা ইস্যুতে ভূমিকা পালন করবে।’ ইউরোপীয় ইউনিয়ন এ বিষয়ে সক্রিয় ভূমিকা পালনে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। তারাও আশা করে নির্বাচন সুষ্ঠু হবে। তাদেরকে আশ্বস্ত করা হয়েছে, সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থে জামায়াত প্রয়োজনীয় সব কিছু করবে।

এনসিপিকে ১০ আসন ছাড়ার দাবি কাল্পনিক

এনসিপিকে ১০টির বেশি আসন ছাড়তে রাজি হচ্ছে না জামায়াত- প্রকাশিত এ সংবাদকে কাল্পনিক বলে আখ্যা দিয়েছেন আবদুল্লাহ তাহের। তিনি বলেছেন, এর কোনো সত্যতা নেই। জামায়াতের সঙ্গে অনেক দল আছে। ক্ষমতায় গেলে কাকে প্রধানমন্ত্রী করা হবে- এ সিদ্ধান্ত নিতে অসুবিধা হবে না।

ব্রিফিংয়ে জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহছানুল মাহবুব যোবায়ের, কেন্দ্রীয় নেতা শিশির মনির উপস্থিত ছিলেন।

Facebook Comments Box
এ বিভাগের আরও খবর


Advertise with us
আর্কাইভ ক্যালেন্ডার
রবিসোমমঙ্গলবুধবৃহশুক্রশনি
 
১০
১১১৩১৫১৬
১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭৩০৩১
Advertise with us
আরও Banglardarpan24.com সংবাদ


Design and Development by : webnewsdesign.com