জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান বলেছেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সেনাবাহিনী লড়াই করেছে। পার্বত্য চট্টগ্রামে অসংখ্য অফিসার ও সেনা জীবন দিয়েছেন। তাঁরা জীবন দিয়েছেন, কিন্তু এক ইঞ্চি মাটি কাউকে দেননি। চব্বিশের অভ্যুত্থানের দিনগুলোতে সেনাবাহিনীর দায়িত্বপূর্ণ ভূমিকার কারণে জাতি গৃহযুদ্ধ থেকে রেহাই পেয়েছে। সে ভূমিকায় অবসরপ্রাপ্ত, বরখাস্ত ও কর্মরত সকল কর্মকর্তা ছিলেন। সোমবার রাতে রাজধানীর চীন […]

জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান বলেছেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সেনাবাহিনী লড়াই করেছে। পার্বত্য চট্টগ্রামে অসংখ্য অফিসার ও সেনা জীবন দিয়েছেন। তাঁরা জীবন দিয়েছেন, কিন্তু এক ইঞ্চি মাটি কাউকে দেননি। চব্বিশের অভ্যুত্থানের দিনগুলোতে সেনাবাহিনীর দায়িত্বপূর্ণ ভূমিকার কারণে জাতি গৃহযুদ্ধ থেকে রেহাই পেয়েছে। সে ভূমিকায় অবসরপ্রাপ্ত, বরখাস্ত ও কর্মরত সকল কর্মকর্তা ছিলেন।
সোমবার রাতে রাজধানীর চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে সশস্ত্র বাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, সুশাসনের পূর্বশর্ত সুষ্ঠু নির্বাচন। কিন্তু সরকার ও নির্বাচন কমিশনকে সুষ্ঠু নির্বাচন অনিচ্ছুক দেখতে পাচ্ছি। সমস্যাটা কোথায়?
জামায়াত আমির সতর্ক করে বলেন, আমরা বোঝাপড়ার নির্বাচন চাই না। বোঝাপড়া হবে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে ভোটারের। কোনো কর্তৃপক্ষের সঙ্গে নয়।
অবসরপ্রাপ্ত সামরিক কর্মকর্তাদের উদ্দেশে শফিকুর রহমান বলেন, আমরা দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই করছি। নিজেরা দুর্নীতি করব না, কাউকে করতেও দেব না।
মুক্তিযুদ্ধে সেনাবাহিনীর অবদান স্মরণ করে শফিকুর রহমান বলেন, মুক্তিযুদ্ধের সেনাপতি জেনারেল ওসমানীকে ভুলিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। বীরদের অবশ্যই সম্মান জানাতে হবে। নইলে নতুন করে বীর জন্মাবে না। যারা স্বাধীনতার যুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন, তারা কেউ বাঁচার আশায় লড়াই করেননি; স্বাধীনতা এনে দিতে লড়াই করেছেন।
কর্নেল (অব.) আব্দুল বাতেনের সভাপতিত্বে সভায় বক্তৃতা করেন কর্নেল (অব.) জাকারিয়া, ব্রিগেডিয়ার (অব.) এবিএম গোলাম মোস্তফা, কর্নেল (অব.) হাসিনুর রহমান বীর প্রতীক, মেজর জেনারেল (অব.) মাহাবুব উল আলম, মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান, মেজর (অব.) ব্যারিস্টার সরোয়ার হোসেন প্রমুখ।











